untitled 1

About the author : Secret Recipe

 

রান্নার কোনো গোপন কৌশল নয়। বরং মালয়েশিয়ান চিজ কেকের স্বাদ নিতে চাইলে এই রেস্তোরাঁয় ঢুঁ দিতে পারেন।

রাজধানীর ভোজনশালায় যুক্ত হওয়া এই রেস্তোরাঁর শেকড় হচ্ছে মালয়েশিয়াতে। বাংলাদেশে এই রেস্তোরাঁর আগমনের গল্পটা জানালেন ফেয়ার গ্রুপের ব্যবসা প্রধান কে.এস.এম মোহিত উল বারি।

“ফেয়ার গ্রুপের চেয়ারম্যান রুহুল আলম আল মাহবুব. ভোজনরসিক একজন ব্যক্তি। বিশেষ করে, চিজ কেকের প্রতি রয়েছে তার বাড়তি দুর্বলতা। কাজের প্রয়োজনে বরাবরের মতো মালয়েশিয়াতে গিয়ে এই সিক্রেট রেসিপি রেস্তোরাঁর কেক খান তিনি। তারপরেই সিদ্ধান্ত নেন- যদি রেস্তোরাঁর ব্যবসায় নামতে হয়, তবে এই চিজ কেক অবশ্যই দেশে নিয়ে যাবেন! এই পথ পরিক্রমায় ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর খিলগাঁওয়ের চৌধুরি পাড়ায় মালয়েশিয়ার সিক্রেট রেসিপি রেস্তোরাঁর প্রথম শাখাটি চালু হয়।”

বারি আরও বলেন, “২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে মোট ৫০টি শাখা চালু করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে সিক্রেট রেসিপি। বর্তমানে খিলগাঁওসহ উত্তরা, শান্তিনগর, বেইলি রোড, গ্রিন রোড, ধানমণ্ডি ও গুলশান দুই নম্বর মিলিয়ে মোট নয়টি শাখা আছে। গুলশান ও উত্তরায় আরও শাখা চালু হতে যাচ্ছে।”

সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই রেস্তোরাঁ। অন্দরসজ্জা এক কথায় ছিমছাম। বসার ব্যবস্থা আছে ৮৫ জনের, আছে ওয়াইফাই।

খাবারের ক্ষেত্রে পানীয় আর কেকের দিকে বেশি নজর দিয়েছে রেস্তোরাঁটি। আট পদের ক্রিম কেক, ছয় পদের চিজ কেক, তিন পদের ব্রাউনি আর সঙ্গে আছে ১০ পদের বরফ-শীতল চা ও কফি। চার পদের কফি, ছয় পদের লাতে, লেমোনেইড, মিল্কশেইক।

পানীয়র দাম ১শ’ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩৪০ টাকা।

চিজ কেকের প্রতি ভালোবাসা দিয়েই যেহেতু রেস্তোরাঁর যাত্রা, তাই চিজ কেকের আয়োজন যে বেশি হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

রয়েছে নিউইয়র্ক চিজ কেক দাম প্রতিটি ২৬০ টাকা, ১.২ কেজি ২ হাজার ৬শ’ টাকা। ওরিও চিজ কেক- দাম প্রতিটি ২৩০ টাকা, ১.২ কেজি ২ হাজার ৩শ’ টাকা।

বারি দাবী করেন, “সবচাইতে বেশি বিক্রি হয় চকলেট ইন্ডালজেন্স, দাম প্রতিটি ২শ’ টাকা। ১.২ কেজি ২ হাজার টাকা। অর্ডার দিয়ে নিজের পছন্দ মতো কেক বানিয়ে নেওয়ার সুযোগও আছে, তবে তার জন্য সময় দিতে হবে তিন দিন।

বারি বলেন, “শুধু কেক নয় আমাদের অধিকাংশ খাবারের উপকরণই দেশের বাইরে থেকে নিয়ে আসা হয়। ব্যতিক্রমের মধ্যে মুরগির মাংস স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা হয়। গরুর মাংস আসে বেঙ্গল মিট থেকে, সামুদ্রিক মাছ সরবরাহ করছে র‌্যানকন গ্রুপ, কফি বিন আসে বারিস্তা লাভাজ্জা থেকে। রেস্তোরাঁর কর্মচারীদের আমরা মালয়েশিয়া থেকে তিন মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজে নিয়োগ দিয়েছি।”

কেক ছাড়াও বিভিন্ন রকম সালাদ, সুপ, মুরগির বিভিন্ন পদ, সামুদ্রিক মাছ, পাস্তা, স্টেইক ইত্যাদির স্বাদ নিতে চাইলে যেতে পারেন এই রেস্তোরাঁর বিভিন্ন শাখায়।

 

সুত্রঃ বিডি নিউজ ২৪